বেঙ্গালুরু, 4 অগাস্ট : কোরোনায় সংক্রমিত কর্নাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া । তাঁকে হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে । আজ নিজেই টুইট করে সংক্রমণের খবর জানান সিদ্দারামাইয়া ।
টুইটারে নিজের কোরোনা সংক্রমণের কথা জানানোর পাশাপাশি প্রত্যেককে সতর্কও করেন তিনি । যাঁরা তাঁর সংস্পর্শে এসেছিলেন, প্রত্যেককে কোয়ারানটিনে যাওয়ার অনুরোধ করেন। সিদ্দারামাইয়া টুইটারে লেখেন, "আমি কোরোনা পজ়িটিভ । চিকিৎসকের পরামর্শমতো আমি হাসপাতালে ভরতি হয়েছি । যাঁরা আমার সংস্পর্শে এসেছিলেন , তাঁদের প্রত্যেককে কোয়ারানটিনে যাওয়ার অনুরোধ করছি ।"
-
I have been tested positive for #Covid19 & also been admitted to the hospital on the advice of doctors as a precaution.
— Siddaramaiah (@siddaramaiah) August 4, 2020 " class="align-text-top noRightClick twitterSection" data="
I request all those who had come in contact with me to check out for symptoms & to quarantine themselves.
">I have been tested positive for #Covid19 & also been admitted to the hospital on the advice of doctors as a precaution.
— Siddaramaiah (@siddaramaiah) August 4, 2020
I request all those who had come in contact with me to check out for symptoms & to quarantine themselves.I have been tested positive for #Covid19 & also been admitted to the hospital on the advice of doctors as a precaution.
— Siddaramaiah (@siddaramaiah) August 4, 2020
I request all those who had come in contact with me to check out for symptoms & to quarantine themselves.
তাঁর ছেলে যতীন্দ্র সিদ্দারামাইয়া জানিয়েছেন, গতকাল সকাল থেকে প্রচণ্ড জ্বর ছিল সিদ্দারামাইয়ার । কাল রাতে তাঁকে হাসপাতালে ভরতি করা হয় । অ্যান্টিজেন পরীক্ষার পর তাঁর কোরোনা সংক্রমণের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে ।
মণিপাল হাসপাতালে ভরতি সিদ্দারামাইয়া । একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মুখ্যমন্ত্রী বিএস ইয়েদুরাপ্পা । রবিবার কোরোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি । যদিও তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা ।
সিদ্দারামাইয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী কে সুধাকর । জানিয়েছেন, মণিপাল হাসপাতালের চিকিৎসকদের সঙ্গে সবসময় যোগাযোগ রেখেছেন তিনি । সিদ্দারামাইয়ার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল, চিন্তার কোনও কারণ নেই ।
কর্নাটকে মোট আক্রান্তর সংখ্যা 73 হাজার 227 । 2 হাজার 412জনের এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে । স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন মোট 53 হাজার 648জন ।