সিকিম, 9 মার্চ: কোরোনা আতঙ্কে পর্যটকদের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল সিকিম সরকার ৷ কেন্দ্র সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার নির্দেশ দিল ৷
প্রতিবেশী দেশ ভুটান ও দেশের অভ্যন্তরেও বিভিন্ন রাজ্যে কোরোনা আক্রান্তের খোঁজ মেলায় বহু রাজ্যই দেশি ও বিদেশি পর্যটকদের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ৷ সেই পথ অনুসরণ করেই পর্যটকদের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল সিকিম সরকার ৷ 5 মার্চ সিকিমের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের যুগ্ম সচিব পরিনা গুরুঙ এই মর্মে এক নির্দেশিকায় সিকিমে বিদেশি পর্যটকদের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে । সেই নিষেধাজ্ঞাই প্রত্যাহারের আর্জি জানাল কেন্দ্র । কেন্দ্রের পর্যটন দফতরের সচিব যোগেন্দ্র ত্রিপাঠী সিকিমের মুখ্যসচিব এস সি গুপ্তাকে এই মর্মে ইতিমধ্যেই চিঠি দিয়েছেন । পর্যটনের স্বার্থে চিঠিতে তিনি বলেছেন, কোরোনা ভাইরাস (কোভিড -19) নিয়ে অযথা আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই । তবে প্রয়োজনীয় মেডিক্যাল চেকআপ সহ যাবতীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতেই পারে রাজ্য । কিন্তু যেসব পর্যটক কোরোনা ভাইরাসে আক্রান্ত নন তাঁরাও নিষেধাজ্ঞার ফলে দুর্ভোগে পড়ছেন । তাই বিদেশি পর্যটকদের উপর নিষেধাজ্ঞা তথা ইনার লাইন পারমিট বা আইএলপি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত যেন প্রত্যাহার করে নেয় সিকিম সরকার ।
নিষেধাজ্ঞা জারির পরেই পর্যটনে বিপুল ক্ষতির আশঙ্কা প্রকাশ করে পর্যটন সংস্থাগুলি । এরপরেই কেন্দ্রের তরফে এই চিঠি বলে মনে করা হচ্ছে ।
শান্তিনিকেতনে কোরোনা আতঙ্কে বন্ধ রয়েছে দোল উৎসব ৷ সচেতনতার প্রচার চলছে দিঘাতেও ৷ ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়িয়েছে পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে ৷ এদিকে কোরোনা ভাইরাস ঠেকাতে পশ্চিমবঙ্গের তরফেও প্রচারাভিযান চালানোর নির্দেশিকায় এসেছে । জেলাশাসক, মেডিক্যাল কলেজের সুপার ও সব জেলার মুখ্যস্বাস্থ্য আধিকারিককের কাছে ইতিমধ্যেই রাজ্যের তরফে ওই নির্দেশিকা পৌঁছে গিয়েছে । সীমান্ত এলাকাগুলিতে শুরু হয়েছে স্ক্রিনিং ।