কলকাতা, 27 ডিসেম্বর: পয়েন্ট এল ৷ হারের সরণিতে বাঁধ দেওয়া গেল ৷ পয়েন্ট টেবিলে অবস্থান বদল না-হলেও স্বস্তি এল মহামেডান স্পোর্টিংয়ে। ঘরের মাঠে ওড়িশা এফসির সঙ্গে গোল শূন্য ড্র চের্নিশভের ছেলেদের। ওড়িশা এফসির মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের কাছ থেকে পয়েন্ট কেড়ে নেওয়ার জন্য যে পারফরম্যান্স মহামেডান স্পোর্টিং দেখাল তা এতদিন দেখা যায়নি। নতুন বছরের আগে সাদা-কালো সমর্থকরা প্রিয় দলের হার আটকানো গিয়েছে এই সান্ত্বনা নিয়ে স্টেডিয়াম ছাড়লেন।
আন্দ্রে চের্নিশভ বলেন, "পরিস্থিতি বদলের ক্ষমতা তাঁর দলের রয়েছে। কিন্তু সেকথা এতদিন বিশ্বাস করার লোক পাওয়া কঠিন ছিল। শুক্রবার কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামে অ্যালেক্সিস, ফ্রাঙ্কা, রেমসাঙ্গাদের দেখে গত পাঁচ হারের ব্যাখা পাওয়া কঠিন। দলের এই ভোলবদলে কেন্দ্রীয় চরিত্র অ্যালেক্সিস গোমেজ। যার ফুটবলের সামনে মুর্তাদা ফলদের অস্বস্তিতে পড়তে হয়েছে। দুই দু'বার মহামেডানের গোল পাওয়ার ক্ষেত্রে বাধা হয়েছে। অবিশ্বাস্যভাবে অ্যালেক্সিসের শট এবং ফ্রাঙ্কার পরিবর্তে মাঠে নামা মাঞ্জোকির হেড বারে লেগে বাইরে চলে যায়।
কাশিমভের শট শরীর ছুড়ে কোনওমতে বাঁচান ওড়িশা এফসি গোলরক্ষক অমরিন্দর। একডজন কর্নার পেয়েছিল মহামেডান স্পোর্টিং, যা থেকে গোল না-হলেও চের্নিশভের ছেলেদের খেলায় আশার আলো। আক্রমণ থেকে রক্ষণ, প্রতিটি বিভাগে মহামেডান স্পোর্টিংয়ের খেলোয়ারদের ফুটবল ছিল এক সুতোয় বাঁধা। এতদিন ম্যাচের শেষ ধাপে গোল খাওয়া অভ্যাসে পরিণত করেছিল সাদা কালো রক্ষণ। শুক্রবার সেই রক্ষণভাগ রুখে দিল হুগো বুমোস, দিয়াগো মৌরিসিওদের।
ওড়িশার বিরুদ্ধে গোল শূন্য ড্র করে হারের সরণিতে বাঁধ দিল মহামেডান (ISL MEDIA) খাতায় কলমে অনেক এগিয়ে থাকা ওড়িশা এফসি মাঠে দাঁত ফোটাতে ব্যর্থ। ফলে জয়ের সরণিতে থাকা ওড়িশা থমকে গেল কিশোরভারতীতে। প্রতিপক্ষের দাপটের সামনে তারা পুরো 90 মিনিট জুড়ে একবারও গোল করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করতে পারেনি। বারবার সাদা-কালো রক্ষণের ফাঁদে দিগভ্রষ্ট হয়েছে। খেলার পরে সাদা-কালো সমর্থকরা ফ্ল্যাগ নিয়ে আনন্দ করছিলেন। তাদের আনন্দ করার কারণ রয়েছে। কারণ প্রিয় দল ছন্দে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছে। যা ধরে রাখলে হয়তো লাস্ট বয়ের তকমা মুছতে পারে। অন্যদিকে, এই ম্যাচ থেকে পাওয়া 1 পয়েন্ট ওড়িশাকে 4 নম্বরে তুলে দিল। তাদের ঝুলিতে কুড়ি পয়েন্ট।