ETV Bharat / state

প্রান্তিক শিশুদের বসন্তের রঙে রাঙাতে প্রাক-দোল উৎসব - HOLI 2025

প্রান্তিক শিশুদের বসন্তের রঙে রাঙাতে প্রাক-দোল উৎসব পালিত হল আসানসোলে ৷ আসানসোলের পলাশডিহা গ্রামের ফিড ক্যাম্পাসে হল দোলের উৎসব ৷

ETV BHARAT
আসানসোলে প্রাক-দোল উৎসব (নিজস্ব চিত্র)
author img

By ETV Bharat Bangla Team

Published : Feb 26, 2025, 3:13 PM IST

আসানসোল, 26 ফেব্রুয়ারি: চারপাশে পাথরের ক্রাশার । উড়ছে ধুলো । তারই মাঝে ছোট ছোট গ্রাম । শহর আসানসোলের এত কাছে এই গ্রামগুলো, তবু পরতে পরতে শুধুই অনুন্নয়ন আর দূষণের অন্ধকার । ওই গ্রামগুলিতে বেশিরভাগ ছাত্রছাত্রীই প্রথম প্রজন্মের শিক্ষার্থী বা ফার্স্ট জেনারেশন লার্নার । তাই অনেকে মাঝপথে স্কুলছুট হয়ে পড়ে । আর এই স্কুলছুট ছাত্রছাত্রীদের পুনরায় পাঠমুখী করতে আসানসোলের পলাশডিহা এলাকায় গড়ে উঠেছে ফুডম্যান চন্দ্রশেখর কুন্ডুর উদ্যোগে 'ফিড ক্যাম্পাস'।

এখানে প্রায় 200 ছাত্রছাত্রী পঠনপাঠন করে । এছাড়াও এদের নাচ, গান, বিজ্ঞানের উপর বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় । প্রান্তিক এলাকার খুদেরা আনন্দ উৎসব সবকিছুই এই ফিডের চার দেওয়ালের মধ্যেই উদযাপিত করে । এবার একটি বেসরকারি স্টিল কারখানার উদ্যোগে এই ছাত্রছাত্রীদের প্রাক-দোল উৎসব বা হোলি পালিত হল ।

প্রান্তিক কিশোর-কিশোরীদের বসন্তের রঙে রাঙাতে প্রাক-দোল উৎসব (নিজস্ব ভিডিয়ো)

মঙ্গলবার দুপুরে আসানসোলের পলাশডিহা গ্রামের ফিড ক্যাম্পাসে দোলের রঙিন উৎসব পালিত হল ওই প্রান্তিক শিশু-কিশোরদের নিয়ে । তারাই গান করল, নাচ করল, রঙবেরঙের ছবি আঁকল, আনন্দে উচ্ছ্বাসে মেতে উঠল । শেষে তাদের জন্য ছিল মুখরোচক ও পুষ্টিকর আহার ।

ফিডের কর্ণধার তথা বিশিষ্ট সমাজসেবী চন্দ্রশেখর কুন্ডু জানান, "শারীরিক ভাবে সুস্থ থাকার পাশাপাশি মানসিক ভাবে সুস্থ থাকাটাও খুব জরুরি । এই প্রান্তিক পিছিয়ে পড়া পড়ুয়ারা যাতে মানসিক ভাবে সুস্থ থাকে সেই কারণে এই আনন্দ উৎসবগুলোর প্রয়োজন । ওই বেসরকারি সংস্থা এগিয়ে এসেছে । অন্যরাও এই ভাবে এগিয়ে এলে এই কিশোর-কিশোরীদের আরও মানসিক বিকাশ ঘটবে ।"

ETV BHARAT
এই উদ্যোগে উচ্ছ্বসিত কচিকাঁচারা (নিজস্ব চিত্র)

বেসরকারি ওই কারখানার পক্ষ থেকে জানানো হয়, "এই সমস্ত গ্রামের ছাত্রছাত্রীরা সেই ভাবে হোলির আস্বাদ পায় না । তারা রঙ, পিচকারি কিছুই কিনতে পারে না । সেই কারণে ওদের জন্য এই আয়োজন । আমরা ওদের আনন্দ দেওয়ার পর নিজেরা হোলি খেলব । তাই এই উদ্যোগ ।"

গান, নাচ করে, আবির খেলে খুশি ছাত্রছাত্রীরা । দুই ছাত্রী ইটিভি ভারতকে জানায়, "আমরা এই ভাবে কখনও হোলি খেলিনি । আমরা আজ নাচ করেছি, গান করেছি, রঙ খেলেছি, খুব আনন্দ করেছি। ছোট ছোট কিশোর-কিশোরীদের মুখে ঔজ্জ্বল্য ও হাসি আজ বারেবারে যেন জানান দিয়েছে তারা কত খুশি ৷ আর তাই তাদের আহ্বান, "এই বসন্তে বারবার যেন তোমরা আমাদের এইভাবেই রাঙিয়ে দিয়ে যেও ।

আসানসোল, 26 ফেব্রুয়ারি: চারপাশে পাথরের ক্রাশার । উড়ছে ধুলো । তারই মাঝে ছোট ছোট গ্রাম । শহর আসানসোলের এত কাছে এই গ্রামগুলো, তবু পরতে পরতে শুধুই অনুন্নয়ন আর দূষণের অন্ধকার । ওই গ্রামগুলিতে বেশিরভাগ ছাত্রছাত্রীই প্রথম প্রজন্মের শিক্ষার্থী বা ফার্স্ট জেনারেশন লার্নার । তাই অনেকে মাঝপথে স্কুলছুট হয়ে পড়ে । আর এই স্কুলছুট ছাত্রছাত্রীদের পুনরায় পাঠমুখী করতে আসানসোলের পলাশডিহা এলাকায় গড়ে উঠেছে ফুডম্যান চন্দ্রশেখর কুন্ডুর উদ্যোগে 'ফিড ক্যাম্পাস'।

এখানে প্রায় 200 ছাত্রছাত্রী পঠনপাঠন করে । এছাড়াও এদের নাচ, গান, বিজ্ঞানের উপর বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় । প্রান্তিক এলাকার খুদেরা আনন্দ উৎসব সবকিছুই এই ফিডের চার দেওয়ালের মধ্যেই উদযাপিত করে । এবার একটি বেসরকারি স্টিল কারখানার উদ্যোগে এই ছাত্রছাত্রীদের প্রাক-দোল উৎসব বা হোলি পালিত হল ।

প্রান্তিক কিশোর-কিশোরীদের বসন্তের রঙে রাঙাতে প্রাক-দোল উৎসব (নিজস্ব ভিডিয়ো)

মঙ্গলবার দুপুরে আসানসোলের পলাশডিহা গ্রামের ফিড ক্যাম্পাসে দোলের রঙিন উৎসব পালিত হল ওই প্রান্তিক শিশু-কিশোরদের নিয়ে । তারাই গান করল, নাচ করল, রঙবেরঙের ছবি আঁকল, আনন্দে উচ্ছ্বাসে মেতে উঠল । শেষে তাদের জন্য ছিল মুখরোচক ও পুষ্টিকর আহার ।

ফিডের কর্ণধার তথা বিশিষ্ট সমাজসেবী চন্দ্রশেখর কুন্ডু জানান, "শারীরিক ভাবে সুস্থ থাকার পাশাপাশি মানসিক ভাবে সুস্থ থাকাটাও খুব জরুরি । এই প্রান্তিক পিছিয়ে পড়া পড়ুয়ারা যাতে মানসিক ভাবে সুস্থ থাকে সেই কারণে এই আনন্দ উৎসবগুলোর প্রয়োজন । ওই বেসরকারি সংস্থা এগিয়ে এসেছে । অন্যরাও এই ভাবে এগিয়ে এলে এই কিশোর-কিশোরীদের আরও মানসিক বিকাশ ঘটবে ।"

ETV BHARAT
এই উদ্যোগে উচ্ছ্বসিত কচিকাঁচারা (নিজস্ব চিত্র)

বেসরকারি ওই কারখানার পক্ষ থেকে জানানো হয়, "এই সমস্ত গ্রামের ছাত্রছাত্রীরা সেই ভাবে হোলির আস্বাদ পায় না । তারা রঙ, পিচকারি কিছুই কিনতে পারে না । সেই কারণে ওদের জন্য এই আয়োজন । আমরা ওদের আনন্দ দেওয়ার পর নিজেরা হোলি খেলব । তাই এই উদ্যোগ ।"

গান, নাচ করে, আবির খেলে খুশি ছাত্রছাত্রীরা । দুই ছাত্রী ইটিভি ভারতকে জানায়, "আমরা এই ভাবে কখনও হোলি খেলিনি । আমরা আজ নাচ করেছি, গান করেছি, রঙ খেলেছি, খুব আনন্দ করেছি। ছোট ছোট কিশোর-কিশোরীদের মুখে ঔজ্জ্বল্য ও হাসি আজ বারেবারে যেন জানান দিয়েছে তারা কত খুশি ৷ আর তাই তাদের আহ্বান, "এই বসন্তে বারবার যেন তোমরা আমাদের এইভাবেই রাঙিয়ে দিয়ে যেও ।

ETV Bharat Logo

Copyright © 2025 Ushodaya Enterprises Pvt. Ltd., All Rights Reserved.