ETV Bharat / state

সুজয়কৃষ্ণের থেকে 15 কোটি চেয়েছিলেন অভিষেক! চার্জশিটে দাবি সিবিআইয়ের; পাল্টা বিবৃতি আইনজীবীর - ABHISHEK BANERJEE

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৃতীয় চার্জশিট পেশ করেছে সিবিআই ৷ তাতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উল্লেখ রয়েছে ৷ এই নিয়ে বিবৃতি দিলেন তাঁর আইনজীবী ৷

Abhishek Banerjee
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (ছবি সৌজন্য: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক্স হ্যান্ডেল)
author img

By ETV Bharat Bangla Team

Published : Feb 26, 2025, 9:01 PM IST

Updated : Feb 26, 2025, 11:01 PM IST

কলকাতা, 26 ফেব্রুয়ারি: নিয়োগ দুর্নীতি মালায় তৃতীয় অতিরিক্ত চার্জশিট পেশ করে বিস্ফোরক দাবি করল সিবিআই ৷ চার্জশিটের একটি জায়গায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের থেকে 'জনৈক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়' 15 কোটি টাকা দাবি করেছিলেন ৷ অন্য একটি প্রসঙ্গে সিবিআই-এর দাবি তৃণমূলের প্রাক্তন নেতা কুন্তল ঘোষ, শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ কয়েকজন চাকরি বিক্রির নাম করে মোট একশো কোটি টাকা তোলার পরিকল্পনা করেছিলেন ৷ অভিষেকের পাশাপাশি সেই টাকার ভাগ পাওয়ার কথা ছিল পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও মানিক ভট্টাচার্যের।

চার্জশিটের খবর প্রকাশ্যে আসতেই প্রতিবাদের সরব হলেন তৃণমূল সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের আইনজীবী সঞ্জয় বসু ৷ এদিনই তিনি একটি প্রেস বিবৃতি প্রকাশ করে পাল্টা দাবি করেন, তাঁর মক্কেল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে দুই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই ও ইডি এবং কয়েকটি সংবাদমাধ্যম ৷

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই-এর তৃতীয় চার্জশিট নিয়ে বলছেন আইনজীবী জাভেদ শামিম (ইটিভি ভারত)

চার্জশিটে সিবিআইয়ের দাবি

বুধবার কলকাতার বিশেষ সিবিআই আদালতে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৃতীয় সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ৷ সেখানে দাবি করা হয়েছে, 2017 সালে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র বিভিন্ন এজেন্টদের কাছে থেকে 15 কোটি টাকা চেয়েছিলেন ৷ তিনি জানিয়েছিলেন, এই বিপুল টাকা তাঁর কাছ থেকে চেয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ৷

Advocate of  TMC MP Abhishek Banerjee issues press statement
তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী সঞ্জয় বসুর প্রেস বিবৃতি (ইটিভি ভারত)

চার্জিশিটে আরও দাবি করা হয়েছে, 2017 সালে কুন্তল ঘোষ, শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়, অরবিন্দ রায় বর্মন এবং সুরজিৎ চন্দ, সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের কালীঘাটের বাড়িতে গিয়েছিলেন নিয়োগ দুর্নীতির ঘুষের টাকা দিতে ৷ কুন্তল ঘোষের কর্মচারী অরবিন্দ রায় বর্মন বৈঠকের সমস্ত কিছু রেকর্ড করেছিলেন তাঁর মোবাইল ফোনে ৷ পরে সেই অডিয়ো ট্রান্সফার করা হয় ল্যাপটপে ৷ পরবর্তীকালে তদন্তের সময় সেই অডিয়ো হাতে পায় সিবিআই ৷ কেন্দ্রীয় গোয়ান্দের আরও দাবি, বেআইনি সমস্ত নিয়োগ পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মাধ্যমে সুরক্ষিত করা হত ৷ পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যে মাধ্যমে হিসেবে কাজ করতেন সুজয়কৃষ্ণ ৷

CBI files third chargesheet on school job recruitment scam
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই-এর তৃতীয় চার্জশিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম (ইটিভি ভারত)

পেশ করা চার্জশিটে সিবিআইয়ের আরও দাবি, 'কালীঘাটের কাকু' নামে পরিচিত সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র জানিয়েছেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় 15 কোটি টাকা বেআইনিভাবে নিযুক্তদের জন্য দাবি করেছেন ৷ তিনি আরও জানান, প্রার্থীরা 6 লক্ষ 50 হাজার টাকা করে দিয়ে দিয়েছিলেন ৷ একটা সময়ে আর টাকা তোলা সম্ভব হচ্ছিল না ৷ তখন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নাকি তাঁকে হুঁশিয়ারি দেন। বলেন, টাকা না দিলে তিনি হয় ওই প্রার্থীদের গ্রেফতার করিয়ে দেবেন না হলে তাঁদের যাতে বহুদূরে পোস্টিং হয় সেই ব্যবস্থা করবেন ৷

চার্জশিটে অন্য একটি অংশে সিবিআইয়ের দাবি, সুজয় কৃষ্ণ ভদ্র, শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কুন্তল ঘোষরা আরও প্রায় 2 হাজার প্রার্থীর থেকে টাকা তোলার পরিকল্পনা করেছিলেন ৷ অন্তত একশো কোটি টাকা তুলে তা থেকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও মানিক ভট্টাচার্যকে 20 কোটি টাকা করে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাঁদের ৷

অভিষেকের আইনজীবীর বিবৃতি

এরপরই বিবৃতি দিয়ে ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ অভিষেকের আইনজীবী জানান, দুই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই ও ইডি'র সঙ্গে তদন্তে সবরকম সহযোগিতা করেছেন অভিষেক ৷ তাও শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলার সাম্প্রতিক চার্জশিটে তাঁর নামে বিভ্রান্তিমূলক ও ভিত্তিহীন তথ্য দিয়েছে সিবিআই ৷ এছাড়া কয়েকটি সংবাদমাধ্যমও এই ধরনের খবর প্রকাশ করেছে ৷ এখনও পর্যন্ত অভিষেকের বিরুদ্ধে কোনও তথ্য প্রমাণ আদালতে পেশ করতে পারেনি কোনও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ৷ আর সেই জায়গা থেকে এ ধরনের পদক্ষেপকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে করছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর আইনজীবী ৷

সঞ্জয় বসু এদিন বিবৃতিতে আরও জানিয়েছেন, তাঁর মক্কেল (অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়) প্রথম থেকে ইডি এবং সিবিআই-কে তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করে আসছেন ৷ দুই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা যখনই তাঁকে তলব করেছে, তখনই তিনি উপস্থিত হয়েছেন এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্রও সরবরাহ করেছেন ৷ কিন্তু দুঃখের বিষয় হল এরপরেও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ করছে ৷

আইনজীবীর কথায়, "মামলার তদন্তকারী সংস্থা ইডি এখনও আমার মক্কেলের বিরুদ্ধে কোনও চার্জশিট দাখিল করেনি ৷ তাঁর বিরুদ্ধে কোনও অপরাধে উপস্থিত থাকার কোনও প্রমাণ মেলেনি ৷ তারপরও তৃতীয় অতিরিক্ত চার্জশিট, আমার মক্কেলকে হয়রানির প্রয়াস ছাড়া আর কিছু নয় ৷"

এদিন এই বিবৃতিতে স্পষ্ট ভাষায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, ইডিকে কাজে লাগিয়ে ব্যর্থ হওয়ার পরে একটি রাজনৈতিক শক্তি সিবিআই-এর দিকে ঝুঁকেছে ৷ নির্দিষ্ট অংশের স্বার্থ চরিতার্থ করার লক্ষ্য নিয়েই কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির অপব্যবহার করা হচ্ছে ৷ সংশ্লিষ্ট চার্জশিটে প্রমাণের স্পষ্ট অভাব থাকা সত্ত্বেও সন্দেহ তৈরি করার একটি মরিয়া প্রচেষ্টা করা হয়েছে ৷ ষড়যন্ত্র করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে ব্যবহারের চেষ্টা হচ্ছে বলে মনে করেন অভিষেকের আইনজীবী ৷

কলকাতা, 26 ফেব্রুয়ারি: নিয়োগ দুর্নীতি মালায় তৃতীয় অতিরিক্ত চার্জশিট পেশ করে বিস্ফোরক দাবি করল সিবিআই ৷ চার্জশিটের একটি জায়গায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের থেকে 'জনৈক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়' 15 কোটি টাকা দাবি করেছিলেন ৷ অন্য একটি প্রসঙ্গে সিবিআই-এর দাবি তৃণমূলের প্রাক্তন নেতা কুন্তল ঘোষ, শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ কয়েকজন চাকরি বিক্রির নাম করে মোট একশো কোটি টাকা তোলার পরিকল্পনা করেছিলেন ৷ অভিষেকের পাশাপাশি সেই টাকার ভাগ পাওয়ার কথা ছিল পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও মানিক ভট্টাচার্যের।

চার্জশিটের খবর প্রকাশ্যে আসতেই প্রতিবাদের সরব হলেন তৃণমূল সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের আইনজীবী সঞ্জয় বসু ৷ এদিনই তিনি একটি প্রেস বিবৃতি প্রকাশ করে পাল্টা দাবি করেন, তাঁর মক্কেল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে দুই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই ও ইডি এবং কয়েকটি সংবাদমাধ্যম ৷

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই-এর তৃতীয় চার্জশিট নিয়ে বলছেন আইনজীবী জাভেদ শামিম (ইটিভি ভারত)

চার্জশিটে সিবিআইয়ের দাবি

বুধবার কলকাতার বিশেষ সিবিআই আদালতে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৃতীয় সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ৷ সেখানে দাবি করা হয়েছে, 2017 সালে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র বিভিন্ন এজেন্টদের কাছে থেকে 15 কোটি টাকা চেয়েছিলেন ৷ তিনি জানিয়েছিলেন, এই বিপুল টাকা তাঁর কাছ থেকে চেয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ৷

Advocate of  TMC MP Abhishek Banerjee issues press statement
তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী সঞ্জয় বসুর প্রেস বিবৃতি (ইটিভি ভারত)

চার্জিশিটে আরও দাবি করা হয়েছে, 2017 সালে কুন্তল ঘোষ, শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়, অরবিন্দ রায় বর্মন এবং সুরজিৎ চন্দ, সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের কালীঘাটের বাড়িতে গিয়েছিলেন নিয়োগ দুর্নীতির ঘুষের টাকা দিতে ৷ কুন্তল ঘোষের কর্মচারী অরবিন্দ রায় বর্মন বৈঠকের সমস্ত কিছু রেকর্ড করেছিলেন তাঁর মোবাইল ফোনে ৷ পরে সেই অডিয়ো ট্রান্সফার করা হয় ল্যাপটপে ৷ পরবর্তীকালে তদন্তের সময় সেই অডিয়ো হাতে পায় সিবিআই ৷ কেন্দ্রীয় গোয়ান্দের আরও দাবি, বেআইনি সমস্ত নিয়োগ পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মাধ্যমে সুরক্ষিত করা হত ৷ পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যে মাধ্যমে হিসেবে কাজ করতেন সুজয়কৃষ্ণ ৷

CBI files third chargesheet on school job recruitment scam
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই-এর তৃতীয় চার্জশিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম (ইটিভি ভারত)

পেশ করা চার্জশিটে সিবিআইয়ের আরও দাবি, 'কালীঘাটের কাকু' নামে পরিচিত সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র জানিয়েছেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় 15 কোটি টাকা বেআইনিভাবে নিযুক্তদের জন্য দাবি করেছেন ৷ তিনি আরও জানান, প্রার্থীরা 6 লক্ষ 50 হাজার টাকা করে দিয়ে দিয়েছিলেন ৷ একটা সময়ে আর টাকা তোলা সম্ভব হচ্ছিল না ৷ তখন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নাকি তাঁকে হুঁশিয়ারি দেন। বলেন, টাকা না দিলে তিনি হয় ওই প্রার্থীদের গ্রেফতার করিয়ে দেবেন না হলে তাঁদের যাতে বহুদূরে পোস্টিং হয় সেই ব্যবস্থা করবেন ৷

চার্জশিটে অন্য একটি অংশে সিবিআইয়ের দাবি, সুজয় কৃষ্ণ ভদ্র, শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কুন্তল ঘোষরা আরও প্রায় 2 হাজার প্রার্থীর থেকে টাকা তোলার পরিকল্পনা করেছিলেন ৷ অন্তত একশো কোটি টাকা তুলে তা থেকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও মানিক ভট্টাচার্যকে 20 কোটি টাকা করে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাঁদের ৷

অভিষেকের আইনজীবীর বিবৃতি

এরপরই বিবৃতি দিয়ে ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ অভিষেকের আইনজীবী জানান, দুই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই ও ইডি'র সঙ্গে তদন্তে সবরকম সহযোগিতা করেছেন অভিষেক ৷ তাও শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলার সাম্প্রতিক চার্জশিটে তাঁর নামে বিভ্রান্তিমূলক ও ভিত্তিহীন তথ্য দিয়েছে সিবিআই ৷ এছাড়া কয়েকটি সংবাদমাধ্যমও এই ধরনের খবর প্রকাশ করেছে ৷ এখনও পর্যন্ত অভিষেকের বিরুদ্ধে কোনও তথ্য প্রমাণ আদালতে পেশ করতে পারেনি কোনও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ৷ আর সেই জায়গা থেকে এ ধরনের পদক্ষেপকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে করছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর আইনজীবী ৷

সঞ্জয় বসু এদিন বিবৃতিতে আরও জানিয়েছেন, তাঁর মক্কেল (অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়) প্রথম থেকে ইডি এবং সিবিআই-কে তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করে আসছেন ৷ দুই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা যখনই তাঁকে তলব করেছে, তখনই তিনি উপস্থিত হয়েছেন এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্রও সরবরাহ করেছেন ৷ কিন্তু দুঃখের বিষয় হল এরপরেও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ করছে ৷

আইনজীবীর কথায়, "মামলার তদন্তকারী সংস্থা ইডি এখনও আমার মক্কেলের বিরুদ্ধে কোনও চার্জশিট দাখিল করেনি ৷ তাঁর বিরুদ্ধে কোনও অপরাধে উপস্থিত থাকার কোনও প্রমাণ মেলেনি ৷ তারপরও তৃতীয় অতিরিক্ত চার্জশিট, আমার মক্কেলকে হয়রানির প্রয়াস ছাড়া আর কিছু নয় ৷"

এদিন এই বিবৃতিতে স্পষ্ট ভাষায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, ইডিকে কাজে লাগিয়ে ব্যর্থ হওয়ার পরে একটি রাজনৈতিক শক্তি সিবিআই-এর দিকে ঝুঁকেছে ৷ নির্দিষ্ট অংশের স্বার্থ চরিতার্থ করার লক্ষ্য নিয়েই কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির অপব্যবহার করা হচ্ছে ৷ সংশ্লিষ্ট চার্জশিটে প্রমাণের স্পষ্ট অভাব থাকা সত্ত্বেও সন্দেহ তৈরি করার একটি মরিয়া প্রচেষ্টা করা হয়েছে ৷ ষড়যন্ত্র করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে ব্যবহারের চেষ্টা হচ্ছে বলে মনে করেন অভিষেকের আইনজীবী ৷

Last Updated : Feb 26, 2025, 11:01 PM IST
ETV Bharat Logo

Copyright © 2025 Ushodaya Enterprises Pvt. Ltd., All Rights Reserved.