ETV Bharat / state

Didi ke Bolo for Jobseekers: দিদিকে বলো কর্মসূচি পালন বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীদের, চিঠি গেল মুখ্যমন্ত্রীর ঠিকানায় - এসএলএসটি বিক্ষোভ

আন্দোলনের 688তম দিনে দিদিকে বলো (Jobseekers observe Didi ke Bolo) কর্মসূচি পালন করলেন বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীরা (Didi ke Bolo for Jobseekers)৷ নিয়োগপত্র চেয়ে তাঁর চিঠি পাঠালেন মুখ্যমন্ত্রীর ঠিকানায় ৷

Didi ke Bolo for Jobseekers ETV Bharat
দিদিকে বলো কর্মসূচি পালন বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীদের
author img

By

Published : Jan 31, 2023, 8:21 PM IST

দিদিকে বলো কর্মসূচি পালন বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীদের

কলকাতা, 31 জানুয়ারি: অপেক্ষার 688 দিন । চাকরির দাবিতে রাস্তায় অবস্থান বিক্ষোভ অব্যাহত 2016 সালের নবম থেকে দ্বাদশ স্তরের বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীদের (Didi ke Bolo for Jobseekers)। তবে এই ধরনা মঞ্চেই তাঁরা পালন করলেন 'দিদিকে বলো' কর্মসূচি (Jobseekers observe Didi ke Bolo)। ফোন করে নয়, 'দিদি' অর্থাৎ মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখে এই কর্মসূচিতে সামিল হলেন তাঁরা ।

তাঁদের একটাই দাবি, অবিলম্বে নিয়োগ পত্র তাঁদের হাতে দিতে হবে । এর আগে একাধিক কর্মসূচি তাঁরা পালন করেছেন । তবে মেলেনি কোনও উত্তর । তাই এ বার নিয়োগ পত্রের আবেদন জানিয়ে চিঠি লিখে মুখ্যমন্ত্রীর ঠিকানায় পাঠালেন তাঁরা । প্রত্যেক চাকরিপ্রার্থী অর্ধেক বেলা অনশন করে এই আন্দোলনে সামিল হয়েছেন ।

জনৈক আন্দোলনকারী তনয়া বিশ্বাস বলেন, "শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতি হয়েছে ৷ যোগ্য হয়েও আমরা চাকরি পাইনি ৷ প্রায় 700 দিন ধরে অবস্থান করছি ৷ মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য আমরা পত্র প্রেরণের মাধ্যমে দিদিকে বলো কর্মসূচি সম্পন্ন করছি ৷ আদালতে অযোগ্যদের চাকরি বাঁচানোর চেষ্টা চলে ৷ কেউ যোগ্যদের হয়ে কথা বলেন না ৷ রাজ্যের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখাপেক্ষী হয়ে রয়েছি ৷ অনেক আলাপ আলোচনা হয়েছে, এ বার আমাদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হোক ৷"

আরও পড়ুন: 2016 এসএলএসটি চাকরিপ্রার্থীদের বিকাশ ভবন অভিযান ঘিরে তপ্ত সল্টলেক

তাঁদের এই আন্দোলনে সন্তানদেরকে নিয়েও এসেছেন বহু আন্দোলনরত মা । তাঁদের অভিযোগ, এতবার মুখ্যমন্ত্রী এবং শিক্ষা দফতরের সঙ্গে কথা হয়েছে ৷ কিন্তু কোনও নিয়োগপত্র তাঁরা আজও পাননি । বরং একের পর এক আন্দোলন করে গিয়েছেন তাঁরা । তাই এ বার সরকারি কর্মসূচিকেই আন্দোলনের অঙ্গ হিসেবে ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এসএলএসটি চাকরিপ্রার্থীরা।

অপর বিক্ষোভকারী অভিষেক সেন বললেন, "রাজ্যের যে কোনও প্রান্তের মানুষ কোনও সমস্যায় পড়লে ফোন করে দিদিকে জানাতে পারেন ৷ এটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরই কর্মসূচি ৷ সেই কর্মসূচি মেনেই আমাদের মঞ্চ থেকে দিদিকে চিঠি লেখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ৷ আমরা এটাই লিখছি যে দিদি, আপনার প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও আমরা এখনও চাকরি পাইনি ৷ 2019 সালের প্রেস ক্লাবের সামনে 29 দিনের অনশনের মাথায় আপনি এসে কথা দিয়েছিলেন যে, আপনাদের সবার নিয়োগ হবে ৷ এরপর চার বছর কেটে গেল ৷ এরপর 2022 সালে ঈদের দিন দিদি ধরনামঞ্চে আমাদের ফোন করে নিজে কথা দেন যে, দ্রুত নিয়োগ করবেন ৷ তাঁর সেই নির্দেশ শিক্ষা দফতর মানেনি ৷ তারা শম্বুক গতিতে চলছে ৷ তারা অযোগ্যদের নিয়ে কোর্টে সওয়াল করছে ৷ যোগ্যদের নিয়োগের ব্যাপারে কেন এত ঢিলেমি ৷"

তাই মুখ্যমন্ত্রী যাতে অবিলম্বে ফের বঞ্চিতদের নিয়োগ করার জন্য শিক্ষা দফতরকে বিজ্ঞপ্তি জারি করতে নির্দেশ দেন, সেই আর্জি জানিয়েছেন বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীরা ৷

দিদিকে বলো কর্মসূচি পালন বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীদের

কলকাতা, 31 জানুয়ারি: অপেক্ষার 688 দিন । চাকরির দাবিতে রাস্তায় অবস্থান বিক্ষোভ অব্যাহত 2016 সালের নবম থেকে দ্বাদশ স্তরের বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীদের (Didi ke Bolo for Jobseekers)। তবে এই ধরনা মঞ্চেই তাঁরা পালন করলেন 'দিদিকে বলো' কর্মসূচি (Jobseekers observe Didi ke Bolo)। ফোন করে নয়, 'দিদি' অর্থাৎ মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখে এই কর্মসূচিতে সামিল হলেন তাঁরা ।

তাঁদের একটাই দাবি, অবিলম্বে নিয়োগ পত্র তাঁদের হাতে দিতে হবে । এর আগে একাধিক কর্মসূচি তাঁরা পালন করেছেন । তবে মেলেনি কোনও উত্তর । তাই এ বার নিয়োগ পত্রের আবেদন জানিয়ে চিঠি লিখে মুখ্যমন্ত্রীর ঠিকানায় পাঠালেন তাঁরা । প্রত্যেক চাকরিপ্রার্থী অর্ধেক বেলা অনশন করে এই আন্দোলনে সামিল হয়েছেন ।

জনৈক আন্দোলনকারী তনয়া বিশ্বাস বলেন, "শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতি হয়েছে ৷ যোগ্য হয়েও আমরা চাকরি পাইনি ৷ প্রায় 700 দিন ধরে অবস্থান করছি ৷ মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য আমরা পত্র প্রেরণের মাধ্যমে দিদিকে বলো কর্মসূচি সম্পন্ন করছি ৷ আদালতে অযোগ্যদের চাকরি বাঁচানোর চেষ্টা চলে ৷ কেউ যোগ্যদের হয়ে কথা বলেন না ৷ রাজ্যের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখাপেক্ষী হয়ে রয়েছি ৷ অনেক আলাপ আলোচনা হয়েছে, এ বার আমাদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হোক ৷"

আরও পড়ুন: 2016 এসএলএসটি চাকরিপ্রার্থীদের বিকাশ ভবন অভিযান ঘিরে তপ্ত সল্টলেক

তাঁদের এই আন্দোলনে সন্তানদেরকে নিয়েও এসেছেন বহু আন্দোলনরত মা । তাঁদের অভিযোগ, এতবার মুখ্যমন্ত্রী এবং শিক্ষা দফতরের সঙ্গে কথা হয়েছে ৷ কিন্তু কোনও নিয়োগপত্র তাঁরা আজও পাননি । বরং একের পর এক আন্দোলন করে গিয়েছেন তাঁরা । তাই এ বার সরকারি কর্মসূচিকেই আন্দোলনের অঙ্গ হিসেবে ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এসএলএসটি চাকরিপ্রার্থীরা।

অপর বিক্ষোভকারী অভিষেক সেন বললেন, "রাজ্যের যে কোনও প্রান্তের মানুষ কোনও সমস্যায় পড়লে ফোন করে দিদিকে জানাতে পারেন ৷ এটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরই কর্মসূচি ৷ সেই কর্মসূচি মেনেই আমাদের মঞ্চ থেকে দিদিকে চিঠি লেখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ৷ আমরা এটাই লিখছি যে দিদি, আপনার প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও আমরা এখনও চাকরি পাইনি ৷ 2019 সালের প্রেস ক্লাবের সামনে 29 দিনের অনশনের মাথায় আপনি এসে কথা দিয়েছিলেন যে, আপনাদের সবার নিয়োগ হবে ৷ এরপর চার বছর কেটে গেল ৷ এরপর 2022 সালে ঈদের দিন দিদি ধরনামঞ্চে আমাদের ফোন করে নিজে কথা দেন যে, দ্রুত নিয়োগ করবেন ৷ তাঁর সেই নির্দেশ শিক্ষা দফতর মানেনি ৷ তারা শম্বুক গতিতে চলছে ৷ তারা অযোগ্যদের নিয়ে কোর্টে সওয়াল করছে ৷ যোগ্যদের নিয়োগের ব্যাপারে কেন এত ঢিলেমি ৷"

তাই মুখ্যমন্ত্রী যাতে অবিলম্বে ফের বঞ্চিতদের নিয়োগ করার জন্য শিক্ষা দফতরকে বিজ্ঞপ্তি জারি করতে নির্দেশ দেন, সেই আর্জি জানিয়েছেন বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীরা ৷

ETV Bharat Logo

Copyright © 2025 Ushodaya Enterprises Pvt. Ltd., All Rights Reserved.