ETV Bharat / state

Ranaghat Rape Case : রানাঘাট গণধর্ষণে নির্যাতিতার দেহ কবর থেকে তুলে দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের - রানাঘাট ধর্ষণে নির্যাতিতার দেহ কবর থেকে তুলে দ্বিতীয়বার ময়না তদন্তের নির্দেশ

রানাঘাট গণধর্ষণ-কাণ্ডে গৃহবধূর দেহ কবর থেকে তুলে দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্ত করার নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court ordered second autopsy of rape victim) ৷

Ranaghat Rape Case
নির্যাতিতার দেহ কবর থেকে তুলে দ্বিতীয়বার ময়না তদন্তের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের
author img

By

Published : Apr 26, 2022, 5:50 PM IST

কলকাতা, 26 এপ্রিল : রানাঘাট গণধর্ষণ-কাণ্ডে মৃত নির্যাতিতার দেহ কবর থেকে তুলে ময়নাতদন্ত দ্বিতীয়বার করা হোক ৷ এমনটাই নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court ordered second autopsy of rape victim ) । ডিএসপি পদমর্যাদার অফিসারকে তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা ৷ আগামী 11 মে আদালতে তদন্তের অগ্রগতি রিপোর্ট পেশ করতে হবে রাজ্যকে । এছাড়া প্রথম ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আদালতকে দেওয়ার পাশাপাশি মামলাকারীকেও দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি মান্থা।

মামলার শুনানিতে রাজ্যের তরফে আইনজীবী অমিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "ঘটনা ঘটেছে 7 মার্চ অথচ 17 তারিখের পর কান্নাকাটি শুরু করেছে পরিবারের লোকজন। স্থানীয় থানা থেকে বারবার মহিলার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে, থানার এসপির সঙ্গে প্রত্যেকবার অসহযোগিতা করেছে পরিবার।"

মামলাকারীর আইনজীবী সৌম্যশুভ্র রায় নির্যাতিতার পরিবারের তরফে বলেন, "21 এপ্রিল আমরা কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছি আর 22 এপ্রিল থেকে পুলিশ সমস্ত তৎপরতা শুরু করেছে। তার আগে পুলিশের কাছে প্রথম ময়নাতদন্তের রিপোর্ট চাওয়া হলেও পুলিশ তা দেয়নি। 7 মার্চ ঘটনার পর সঙ্গে সঙ্গে আমরা পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছিলাম ৷ পুলিশ কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। কারণ অভিযুক্ত রাজনৈতিক দলের সদস্য।"

আরও পড়ুন : Hanskhali Gangrape Case : হাঁসখালি গণধর্ষণ-কাণ্ডে সিবিআইয়ের জালে মূল অভিযুক্তের বাবা

রাজ্যের তরফের আইনজীবী অমিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায় ফের এই বক্তব্যের বিরোধিতা করে বলেন, "ওই মহিলাকে ভর্তি করা হয় বিষ খাওয়ার কারণে। পাশাপাশি কল্যাণী হাসপাতাল যে ময়নাতদন্ত রিপোর্ট দিয়েছিল সেখানে ধর্ষণের ঘটনার উল্লেখ করা নেই। নির্যাতিতার মা আগে রাজনৈতিক দলের সদস্যর কথা উল্লেখ করেননি। এখন তিনি রাজনৈতিক দলের সদস্যরা এতে যুক্ত রয়েছে বলে উল্লেখ করছেন।"

উল্লেখ্য, 6 মার্চ নদিয়ার গাংনাপুরে বাড়িতে ঢুকে এক গৃহবধূকে ছ'জন ব্যক্তি গণধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। আরও অভিযোগ, ধর্ষণের পর কীটনাশক খাইয়ে গৃহবধূকে হত্যার চেষ্টা করা হয় । বেশ কয়েকদিন হাসপাতালে থাকার পর 14 মার্চ কল্যাণী সরকারি হাসপাতাল এ ওই গৃহবধূর মৃত্যু হয়। সেখানে ডেথ সার্টিফিকেটে উল্লেখ করা হয়, দেহের ময়নাতদন্ত না করলে মৃত্যুর কারণ বোঝা সম্ভব নয় । পুলিশ দায়সারা করে দ্রুত ময়নাতদন্ত করে বলে অভিযোগ । পরিবারের দাবি, এই ঘটনায় যথাযথ তদন্ত হোক। তাই 21 এপ্রিল আইপিএস অফিসার দময়ন্তী সেনের নেতৃত্বে তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় রানাঘাটের নির্যাতিতার পরিবার ৷

কলকাতা, 26 এপ্রিল : রানাঘাট গণধর্ষণ-কাণ্ডে মৃত নির্যাতিতার দেহ কবর থেকে তুলে ময়নাতদন্ত দ্বিতীয়বার করা হোক ৷ এমনটাই নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court ordered second autopsy of rape victim ) । ডিএসপি পদমর্যাদার অফিসারকে তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা ৷ আগামী 11 মে আদালতে তদন্তের অগ্রগতি রিপোর্ট পেশ করতে হবে রাজ্যকে । এছাড়া প্রথম ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আদালতকে দেওয়ার পাশাপাশি মামলাকারীকেও দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি মান্থা।

মামলার শুনানিতে রাজ্যের তরফে আইনজীবী অমিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "ঘটনা ঘটেছে 7 মার্চ অথচ 17 তারিখের পর কান্নাকাটি শুরু করেছে পরিবারের লোকজন। স্থানীয় থানা থেকে বারবার মহিলার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে, থানার এসপির সঙ্গে প্রত্যেকবার অসহযোগিতা করেছে পরিবার।"

মামলাকারীর আইনজীবী সৌম্যশুভ্র রায় নির্যাতিতার পরিবারের তরফে বলেন, "21 এপ্রিল আমরা কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছি আর 22 এপ্রিল থেকে পুলিশ সমস্ত তৎপরতা শুরু করেছে। তার আগে পুলিশের কাছে প্রথম ময়নাতদন্তের রিপোর্ট চাওয়া হলেও পুলিশ তা দেয়নি। 7 মার্চ ঘটনার পর সঙ্গে সঙ্গে আমরা পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছিলাম ৷ পুলিশ কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। কারণ অভিযুক্ত রাজনৈতিক দলের সদস্য।"

আরও পড়ুন : Hanskhali Gangrape Case : হাঁসখালি গণধর্ষণ-কাণ্ডে সিবিআইয়ের জালে মূল অভিযুক্তের বাবা

রাজ্যের তরফের আইনজীবী অমিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায় ফের এই বক্তব্যের বিরোধিতা করে বলেন, "ওই মহিলাকে ভর্তি করা হয় বিষ খাওয়ার কারণে। পাশাপাশি কল্যাণী হাসপাতাল যে ময়নাতদন্ত রিপোর্ট দিয়েছিল সেখানে ধর্ষণের ঘটনার উল্লেখ করা নেই। নির্যাতিতার মা আগে রাজনৈতিক দলের সদস্যর কথা উল্লেখ করেননি। এখন তিনি রাজনৈতিক দলের সদস্যরা এতে যুক্ত রয়েছে বলে উল্লেখ করছেন।"

উল্লেখ্য, 6 মার্চ নদিয়ার গাংনাপুরে বাড়িতে ঢুকে এক গৃহবধূকে ছ'জন ব্যক্তি গণধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। আরও অভিযোগ, ধর্ষণের পর কীটনাশক খাইয়ে গৃহবধূকে হত্যার চেষ্টা করা হয় । বেশ কয়েকদিন হাসপাতালে থাকার পর 14 মার্চ কল্যাণী সরকারি হাসপাতাল এ ওই গৃহবধূর মৃত্যু হয়। সেখানে ডেথ সার্টিফিকেটে উল্লেখ করা হয়, দেহের ময়নাতদন্ত না করলে মৃত্যুর কারণ বোঝা সম্ভব নয় । পুলিশ দায়সারা করে দ্রুত ময়নাতদন্ত করে বলে অভিযোগ । পরিবারের দাবি, এই ঘটনায় যথাযথ তদন্ত হোক। তাই 21 এপ্রিল আইপিএস অফিসার দময়ন্তী সেনের নেতৃত্বে তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় রানাঘাটের নির্যাতিতার পরিবার ৷

For All Latest Updates

ETV Bharat Logo

Copyright © 2025 Ushodaya Enterprises Pvt. Ltd., All Rights Reserved.