ETV Bharat / city

কোভিডের জেরে বন্ধ ওয়াটার পার্ক , কর্মীদের বেতন মেটাতে চলছে মাছ চাষ - দুর্গাপুর ওয়াটার পার্কে মাছ চাষ

কোরোনা সংক্রমণ ঠেকাতে বিভিন্ন পার্ক ও শিশু উদ্যানগুলি বন্ধ করে দেওয়া হয় । সংক্রমণ দ্রুত ছড়াতে পারে এমন আশঙ্কায় বন্ধ করা হয়েছিল দুর্গাপুরের ওয়াটার পার্কও । দুর্গাপুর সিটি সেন্টারে শহরের একমাত্র ওয়াটার পার্কে বহু মানুষের সমাগম হত । কিন্তু লকডাউনের সময় থেকে তা পুরোপুরি বন্ধ । পার্কের কর্মীরা যাতে বিপাকে না পড়েন, তাই এই পার্ক কর্তৃপক্ষ ওয়াটার পার্কের জলে বিকল্প হিসেবে মাছ চাষের কথা ভাবেন ।

Durgapur
ওয়াটার পার্কে কর্মীদের বেতন মেটাতে চলছে মাছ চাষ
author img

By

Published : Dec 26, 2020, 6:42 PM IST

দুর্গাপুর , 26 ডিসেম্বর : ওয়াটার পার্কে মাছ চাষ !

শুনতে অদ্ভুত লাগলেও এটাই সত্যি । কোরোনার জেরে লকডাউনের সময় থেকে বন্ধ দুর্গাপুরের ওয়াটার পার্ক । 15 অক্টোবর থেকে শিশু উদ্যানগুলিকে খোলার নির্দেশ দেওয়া হলেও ওয়াটার পার্ক নিয়ে কোনও নির্দেশিকা জারি করা হয়নি । এই দীর্ঘ সময় কর্মীরা কার্যত বেকার হয়ে পড়েছিলেন । কর্মীদের কথা চিন্তা করেই এই অভিনব উদ্যোগ নেয় মালিক কর্তৃপক্ষ । কর্মীদের বেতন মেটাতে কই মাছ চাষ শুরু করে তারা ।

Durgapur
এই টাটকা কই মাছগুলি চাষ করে বিক্রি করা হচ্ছে স্থানীয় বাজারে

কোরোনা সংক্রমণ ঠেকাতে সরকারিভাবে যে জায়গাগুলিতে বহু মানুষের সমাগম হয় সেই সমস্ত জায়গা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল । তার মধ্যে অন্যতম বিভিন্ন বিনোদন ও শিশু উদ্যানগুলি । সংক্রমণ দ্রুত ছড়াতে পারে এমন আশঙ্কায় বন্ধ করা হয়েছিল দুর্গাপুরের ওয়াটার পার্ক । দুর্গাপুর সিটি সেন্টারে শহরের একমাত্র ওয়াটার পার্কে বহু মানুষের সমাগম হত । লকডাউনের সময় যাতে পার্কের কর্মীরা বিপাকে না পড়েন, তাই এই পার্ক কর্তৃপক্ষ ওয়াটার পার্কের জলে বিকল্প মাছ চাষের কথা ভাবেন । সেই মতো ওয়াটার পার্কের জলে এখনও পর্যন্ত চলছে কই মাছের চাষ । স্থানীয় বাজারে 400 টাকা থেকে 500 টাকা কেজি পর্যন্ত দামে দেদার বিক্রি হচ্ছে দেশি কই মাছ । আর যার ফলে পার্ক বন্ধ থাকলেও কর্মীদের বেতন নিয়ে কোনও সমস্যা দেখা দেয়নি বলে জানালেন পার্কের ম্যানেজার রবিন মজুমদার । বললেন , " গ্রীষ্মকালে মূল আকর্ষণ এই ওয়াটার পার্ক । কিন্তু কোরোনার জেরে এই বছর সবটাই বন্ধ ছিল । এখনও পর্যন্ত বন্ধই আছে । আমাদের কর্মচারিরা যাতে সমস্যায় না পড়েন , মূলত কর্মচারিদের মুখে হাসি ফোটাতে এই নতুন উদ্যোগ নিয়েছি আমরা । আর দুর্গাপুরবাসীকে নতুন কিছু , টাটকা কিছু উপহার দেওয়ার জন্যও এই উদ্যোগ নিয়েছি বলা যেতে পারে । স্থানীয় বাজারে এই মাছ বিক্রি হয়েছে ।

গত 15 অক্টোবর থেকে সরকারি ঘোষণা মতো সমস্ত শিশু ও বিনোদন উদ্যানগুলি খুলে দেওয়া হলেও, ওয়াটার পার্ক খোলার নির্দেশিকা জারি করা হয়নি । তাই দুর্গাপুর সিটি সেন্টারে বেসরকারি এই পার্কে চলছে কই মাছের চাষ ।

আরও পড়ুন, লম্বা দাড়ি রেখে হলুদ জামা পরলেই রবীন্দ্রনাথ হওয়া যায় না, মোদিকে আক্রমণ কাকলির



বিকল্প হিসেবে ওয়াটার পার্কের জলে এখন মাছ চাষ । আর এই মাছ চাষ করে যে অর্থ আয় হয়েছে , তাই দিয়েই দীর্ঘকাল বন্ধ থাকা পার্কের কর্মীরা যেমন কাজে নিযুক্ত ছিলেন ,পাশাপাশি তাদের রোজগারেও ঘাটতিও পড়েনি । আবার এখন বহু মানুষ এই পার্কে আসছেন ওয়াটার পার্কের মাছ দেখার আকর্ষণেও । সব মিলিয়ে তাই পার্ক কর্তৃপক্ষের ওয়াটার পার্কে মাছ চাষের বিকল্প ভাবনা এই পার্কের কর্মীদের যেমন বেতনের যোগান দিয়েছে, পাশাপাশি দুর্গাপুরবাসীকেও জ্যান্ত দেশি কই মাছের স্বাদও উপহার দিয়েছে ।

দুর্গাপুর , 26 ডিসেম্বর : ওয়াটার পার্কে মাছ চাষ !

শুনতে অদ্ভুত লাগলেও এটাই সত্যি । কোরোনার জেরে লকডাউনের সময় থেকে বন্ধ দুর্গাপুরের ওয়াটার পার্ক । 15 অক্টোবর থেকে শিশু উদ্যানগুলিকে খোলার নির্দেশ দেওয়া হলেও ওয়াটার পার্ক নিয়ে কোনও নির্দেশিকা জারি করা হয়নি । এই দীর্ঘ সময় কর্মীরা কার্যত বেকার হয়ে পড়েছিলেন । কর্মীদের কথা চিন্তা করেই এই অভিনব উদ্যোগ নেয় মালিক কর্তৃপক্ষ । কর্মীদের বেতন মেটাতে কই মাছ চাষ শুরু করে তারা ।

Durgapur
এই টাটকা কই মাছগুলি চাষ করে বিক্রি করা হচ্ছে স্থানীয় বাজারে

কোরোনা সংক্রমণ ঠেকাতে সরকারিভাবে যে জায়গাগুলিতে বহু মানুষের সমাগম হয় সেই সমস্ত জায়গা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল । তার মধ্যে অন্যতম বিভিন্ন বিনোদন ও শিশু উদ্যানগুলি । সংক্রমণ দ্রুত ছড়াতে পারে এমন আশঙ্কায় বন্ধ করা হয়েছিল দুর্গাপুরের ওয়াটার পার্ক । দুর্গাপুর সিটি সেন্টারে শহরের একমাত্র ওয়াটার পার্কে বহু মানুষের সমাগম হত । লকডাউনের সময় যাতে পার্কের কর্মীরা বিপাকে না পড়েন, তাই এই পার্ক কর্তৃপক্ষ ওয়াটার পার্কের জলে বিকল্প মাছ চাষের কথা ভাবেন । সেই মতো ওয়াটার পার্কের জলে এখনও পর্যন্ত চলছে কই মাছের চাষ । স্থানীয় বাজারে 400 টাকা থেকে 500 টাকা কেজি পর্যন্ত দামে দেদার বিক্রি হচ্ছে দেশি কই মাছ । আর যার ফলে পার্ক বন্ধ থাকলেও কর্মীদের বেতন নিয়ে কোনও সমস্যা দেখা দেয়নি বলে জানালেন পার্কের ম্যানেজার রবিন মজুমদার । বললেন , " গ্রীষ্মকালে মূল আকর্ষণ এই ওয়াটার পার্ক । কিন্তু কোরোনার জেরে এই বছর সবটাই বন্ধ ছিল । এখনও পর্যন্ত বন্ধই আছে । আমাদের কর্মচারিরা যাতে সমস্যায় না পড়েন , মূলত কর্মচারিদের মুখে হাসি ফোটাতে এই নতুন উদ্যোগ নিয়েছি আমরা । আর দুর্গাপুরবাসীকে নতুন কিছু , টাটকা কিছু উপহার দেওয়ার জন্যও এই উদ্যোগ নিয়েছি বলা যেতে পারে । স্থানীয় বাজারে এই মাছ বিক্রি হয়েছে ।

গত 15 অক্টোবর থেকে সরকারি ঘোষণা মতো সমস্ত শিশু ও বিনোদন উদ্যানগুলি খুলে দেওয়া হলেও, ওয়াটার পার্ক খোলার নির্দেশিকা জারি করা হয়নি । তাই দুর্গাপুর সিটি সেন্টারে বেসরকারি এই পার্কে চলছে কই মাছের চাষ ।

আরও পড়ুন, লম্বা দাড়ি রেখে হলুদ জামা পরলেই রবীন্দ্রনাথ হওয়া যায় না, মোদিকে আক্রমণ কাকলির



বিকল্প হিসেবে ওয়াটার পার্কের জলে এখন মাছ চাষ । আর এই মাছ চাষ করে যে অর্থ আয় হয়েছে , তাই দিয়েই দীর্ঘকাল বন্ধ থাকা পার্কের কর্মীরা যেমন কাজে নিযুক্ত ছিলেন ,পাশাপাশি তাদের রোজগারেও ঘাটতিও পড়েনি । আবার এখন বহু মানুষ এই পার্কে আসছেন ওয়াটার পার্কের মাছ দেখার আকর্ষণেও । সব মিলিয়ে তাই পার্ক কর্তৃপক্ষের ওয়াটার পার্কে মাছ চাষের বিকল্প ভাবনা এই পার্কের কর্মীদের যেমন বেতনের যোগান দিয়েছে, পাশাপাশি দুর্গাপুরবাসীকেও জ্যান্ত দেশি কই মাছের স্বাদও উপহার দিয়েছে ।

ETV Bharat Logo

Copyright © 2025 Ushodaya Enterprises Pvt. Ltd., All Rights Reserved.