ETV Bharat / state

টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্য, পাশের দাবিতে বিদ্যালয়ের সামনে অনশনে পড়ুয়ারা - students agitation

টেস্ট পরীক্ষায় পাশের দাবিতে এবার অনশনে বসল ইসলামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা ।

অনশনে পড়ুয়ারা
অনশনে পড়ুয়ারা
author img

By

Published : Dec 7, 2019, 3:27 AM IST

রায়গঞ্জ, 7 ডিসেম্বর : স্কুলে টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্য । তা সত্ত্বেও পাশ করানোর দাবিতে ধারাবাহিক অবস্থান-বিক্ষোভের পাশাপাশি আমরণ অনশনে বসল ইসলামপুর উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা ।শুক্রবার থেকে বিদ্যালয়ের সামনে পোস্টার হাতে নিয়ে অনশনে বসেছে তারা । হুঁশিয়ারি, পরীক্ষায় পাশ না করানো পর্যন্ত এই অনশন চলবে । তাদের অভিযোগ, ইচ্ছে করে স্কুল কর্তৃপক্ষ তাদের মধ্যে বেশিরভাগ জনকেই পাশ করায়নি ।

ইসলামপুর উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে উচ্চ মাধ্যমিকের টেস্ট পরীক্ষা ছিল নভেম্বর মাসে । পরীক্ষা শেষে ফল প্রকাশ হলে দেখা যায় 246 জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে 36 জন অকৃতকার্য । তাদের পাশ করানোর অনুরোধে অভিভাবকরা প্রধান শিক্ষিকার কাছে গেলেও লাভ হয়নি । যার ফলে পড়ুয়ারা জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় । এবং শুক্রবার থেকে আমরণ অনশনে বসে । বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা জগদ্ধাত্রী সরকার বলেন, "মোট 5 টি বিষয়ের মধ্যে যারা 5 টি কিংবা 4 টি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে তাদেরকে কোনওভাবেই পাশ করানো সম্ভব হয়নি । বিগত বছরগুলোর মতো এবছরও আমরা সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছি । ন্যূনতম তিনটি বিষয়ে যারা পাশ করতে পারেনি তাদেরকে তুলে দেওয়া হয়েছে । তাই পঠন-পাঠনের মানের সঙ্গে আপস করতে তিনি রাজি নই । বিষয়টি ইসলামপুরের মহকুমা শাসককে জানানো হয়েছে ।"


অন্যদিকে, অনশনরত আফরিন ইয়াসমিন (টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্য পড়ুয়া)-র দাবি, কোনও বিদ্যালয়েই না কি এরকম করা হয় না । সকলকেই পাশ করিয়ে দেওয়া হয় । এক্ষেত্রে এই বিদ্যালয়ের জন্য অন্য রকম নিয়ম কেন করা হল ? অবিলম্বে তাদেরকে টেস্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না করা হলে আমরণ অনশনে চলবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে পড়ুয়াদের একাংশ ।

এবিষয়ে বিদ্যালয় কতৃপক্ষের দাবি, বিষয়টি অত্যন্ত লজ্জাজনক । এবার শিক্ষা দপ্তরের এডুকেশন অফিসার জানিয়েছিলেন, উত্তর দিনাজপুর জেলায় পাশের হার অত্য়ন্ত কম । ঢালাওভাবে তাই টেস্ট পরীক্ষায় অ্যালাউড করবেন না । সেই অনুরোধ রাখতে গিয়েই যাদের নম্বর সবচেয়ে কম এমন 36 জনকে আর শেষ পর্যন্ত পাশ করানো যায়নি । পঠন- পাঠনের মান বজায় রাখতে গিয়ে এ বিষয়টি কোনোভাবেই আপস করা যাবে না ।

রায়গঞ্জ, 7 ডিসেম্বর : স্কুলে টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্য । তা সত্ত্বেও পাশ করানোর দাবিতে ধারাবাহিক অবস্থান-বিক্ষোভের পাশাপাশি আমরণ অনশনে বসল ইসলামপুর উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা ।শুক্রবার থেকে বিদ্যালয়ের সামনে পোস্টার হাতে নিয়ে অনশনে বসেছে তারা । হুঁশিয়ারি, পরীক্ষায় পাশ না করানো পর্যন্ত এই অনশন চলবে । তাদের অভিযোগ, ইচ্ছে করে স্কুল কর্তৃপক্ষ তাদের মধ্যে বেশিরভাগ জনকেই পাশ করায়নি ।

ইসলামপুর উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে উচ্চ মাধ্যমিকের টেস্ট পরীক্ষা ছিল নভেম্বর মাসে । পরীক্ষা শেষে ফল প্রকাশ হলে দেখা যায় 246 জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে 36 জন অকৃতকার্য । তাদের পাশ করানোর অনুরোধে অভিভাবকরা প্রধান শিক্ষিকার কাছে গেলেও লাভ হয়নি । যার ফলে পড়ুয়ারা জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় । এবং শুক্রবার থেকে আমরণ অনশনে বসে । বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা জগদ্ধাত্রী সরকার বলেন, "মোট 5 টি বিষয়ের মধ্যে যারা 5 টি কিংবা 4 টি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে তাদেরকে কোনওভাবেই পাশ করানো সম্ভব হয়নি । বিগত বছরগুলোর মতো এবছরও আমরা সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছি । ন্যূনতম তিনটি বিষয়ে যারা পাশ করতে পারেনি তাদেরকে তুলে দেওয়া হয়েছে । তাই পঠন-পাঠনের মানের সঙ্গে আপস করতে তিনি রাজি নই । বিষয়টি ইসলামপুরের মহকুমা শাসককে জানানো হয়েছে ।"


অন্যদিকে, অনশনরত আফরিন ইয়াসমিন (টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্য পড়ুয়া)-র দাবি, কোনও বিদ্যালয়েই না কি এরকম করা হয় না । সকলকেই পাশ করিয়ে দেওয়া হয় । এক্ষেত্রে এই বিদ্যালয়ের জন্য অন্য রকম নিয়ম কেন করা হল ? অবিলম্বে তাদেরকে টেস্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না করা হলে আমরণ অনশনে চলবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে পড়ুয়াদের একাংশ ।

এবিষয়ে বিদ্যালয় কতৃপক্ষের দাবি, বিষয়টি অত্যন্ত লজ্জাজনক । এবার শিক্ষা দপ্তরের এডুকেশন অফিসার জানিয়েছিলেন, উত্তর দিনাজপুর জেলায় পাশের হার অত্য়ন্ত কম । ঢালাওভাবে তাই টেস্ট পরীক্ষায় অ্যালাউড করবেন না । সেই অনুরোধ রাখতে গিয়েই যাদের নম্বর সবচেয়ে কম এমন 36 জনকে আর শেষ পর্যন্ত পাশ করানো যায়নি । পঠন- পাঠনের মান বজায় রাখতে গিয়ে এ বিষয়টি কোনোভাবেই আপস করা যাবে না ।

Intro:তারক, সংবাদদাতা,রায়গঞ্জঃ- স্কুলে টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়া সত্ত্বেও পাশ করানোর দাবীতে ধারাবাহিক অবস্থান-বিক্ষোভের পাশাপাশি আমরণ অনশনে সামিল ইসলামপুর উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের কয়েকজন ছাত্রী।শুক্রবার বিদ্যালয়ের সামনে হাতে পোস্টার নিয়ে আমরণ অনশনে শামিল হয়েছে ওই পড়ুয়ারা। পরীক্ষায় পাশ না করান পর্যন্ত তাদের এই আমরণ অনশন চলবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে পড়ুয়ারা। এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য শুরু হয়েছে এলাকায়। ছাত্রীদের দাবি অন্যান্য কোন স্কুলে না হলেও এই স্কুলে ইচ্ছে করেই ছাত্রের সঙ্গে অন্যায় করছে কর্তৃপক্ষ। সেই কারণেই অন্যায়ের প্রতিবাদে আমরণ অনশনে শামিল হয়েছে তারা। অন্যদিকে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে বেশিরভাগ বিষয় ফেল করেছে ওই ছাত্রীরা তাই সরকারি নিয়ম মেনে নিন তাদের অকৃতকার্য ঘোষণা করা হয়েছে। সব মিলিয়ে এই ঘটনায় জোর চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে উত্তর দিনাজপুর জেলা শিক্ষা মহলে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা জগদ্ধাত্রী সরকার জানান, মোট পাঁচটি বিষয়ের মধ্যে যারা পাঁচটি কিংবা চারটি বিষয়ে যারা অকৃতকার্য হয়েছে তাদেরকে কোন ভাবেই উত্তীর্ণ করা সম্ভব হয়নি। বিগত বছরগুলোর মতো এ বছরও তারা ওই সিদ্ধান্তে বহাল থেকেছেন। তবে ন্যূনতম তিনটি বিষয়ে যারা পাশ করতে পারেনি তাদেরকে তুলে দেওয়া হয়েছে। তাই পঠন-পাঠনের মানের সঙ্গে আপস করতে তিনি রাজি নন। বিষয়টি ইসলামপুরের মহকুমা শাসককে জানানো হয়েছে বলে তিনি জানান।
অন্যদিকে অনশনরত অবস্থায় আফরিন ইয়াসমিন নামে টেস্ট পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়া পড়ুয়া জানায়, কোনও বিদ্যালয়েই এমনটা করা হয়না। সকলকেই উত্তীর্ণ করে দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে এই বিদ্যালয় এর জন্য অন্য রকম নিয়ম কেন করা হলো বলেও প্রশ্ন তোলে সে। অবিলম্বে তাদের কে টেস্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হলে তারা আমরণ অনশনে সামিল হয়েছেন বলে হুঁশিয়ারি পড়ুয়াদের।
উল্লেখ্য, ইসলামপুর উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের ২৪৬ জন ছাত্রীর মধ্যে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার টেস্টের ৩৬ জনকে পাস করাতে পারিনি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সোমবার থেকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রধান শিক্ষিকাকে বারবার অনুরোধ জানানো সত্ত্বেও ফিরে আসতে হয়েছে অভিভাবক, অভিভাবিকা এবং পড়ুয়াদের। আর এর পরেই প্রতিবাদে সরব হয়ে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভে শামিল হয় ওই পড়ুয়ারা। বিদ্যালয় কতৃপক্ষের দাবি, বিষয়টি অত্যন্ত লজ্জাজনক। এবার শিক্ষা দপ্তরের এডুকেশন অফিসার জানিয়েছিলেন উত্তর দিনাজপুর জেলায় পাসের হার প্রচণ্ড কম। ঢালাওভাবে তাই টেস্ট পরীক্ষায় অ্যালাউ করবেন না। সেই অনুরোধ রাখতে গিয়েই যাদের নাম্বার সবচাইতে কম এমন ৩৬ জনকে আর শেষ পর্যন্ত পাশ করানো যায়নি। পঠন পাঠনের মান বজায় রাখতে গিয়ে এ বিষয়টি কোনোভাবেই আপস করা যাবে না।

বাইট - আফরিন ইয়াসমিন (অনশনকারী ছাত্রী)

জগধাত্রী সরকার (প্রধান শিক্ষিকা, ইসলামপুর গার্লস হাই স্কুল)Body:AjgConclusion:Akj
ETV Bharat Logo

Copyright © 2025 Ushodaya Enterprises Pvt. Ltd., All Rights Reserved.