কেশপুর, 21 ফেব্রুয়ারি : দায়িত্ব পেয়েই সক্রিয় কেন্দ্রীয় বাহিনী ৷ রুট মার্চের পাশাপাশি গাড়িতে করে এলাকা পরিদর্শনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা ৷ এমনই দৃশ্য চোখে পড়ল পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুর এলাকায় ৷ এদিন কেশপুর থেকে কলাগ্রাম পর্যন্ত রুটমার্চ করেন তাঁরা ৷ অপরদিকে, এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী দেখে আশ্বস্ত হন গ্রামবাসীরাও ৷
ভোটের দিনক্ষণ এখনও ঘোষণা হয়নি ৷ তবে, তার আগেই রাজ্যে এসে পৌঁছেছে 125 কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ৷ যার মধ্যে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলাতেই এসে পৌঁছেছে 1 কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ৷ আর জেলায় এসেই সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছে জাওয়ানরা ৷ এদিন কেশপুর এলাকায় রুট মার্চ করেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা ৷ পাশাপাশি তাঁরা গাড়ি করে এলাকাও পরিদর্শন করেন ৷ কেশপুর থেকে কলাগ্রামের দিকে রুট মার্চ করেন জওয়ানরা ৷ পাশাপাশি গ্রামবাসীদের আশ্বস্তও করেন ৷ এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের দেখে কিছুটা স্বস্তিতে গ্রামবাসীরা ৷ কারণ বিগত কয়েকদিনে ভোটের সময় যেভাবে হিংসাত্মক ঘটনা ঘটেছে তার ফলে আতঙ্কেই দিন কাটাচ্ছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা ৷ পাশাপাশি বিরোধীরাও কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবিতে বারবার সরব হয়েছিলেন ৷
আরও পড়ুন : জঙ্গলমহলে শুরু ভোটকর্মীদের প্রশিক্ষণ
প্রসঙ্গত, কেশপুরের 15টি অঞ্চলের মধ্যে উত্তেজনা প্রবণ এলাকা রয়েছে দামোদর চক, দৌ গাছিয়া, পঞ্চমী, ঝেঁতলা, কেশপুর । তাই ভোটের আগেই এই সমস্ত এলাকাগুলিতে পরিবেশ শান্ত রাখতে দখল নিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী ৷ এখন শুধু বিধানসভা নির্বাচনের অপেক্ষা ৷ অপরদিকে, কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে শাসক ও বিরোধী পক্ষ সম্মতি প্রকাশ করেছেন । তৃণমূলের কেশপুরের মুখপাত্র মহম্মদ রফিক বলেন, " কেন্দ্রীয় বাহিনী আজকের নতুন নয় । প্রতিবছরই ভোটে আসে ৷ আমরাও খুশি হই ।" অপরদিকে সিপিএমের জেলা সম্পাদক তরুণ রায় বলেন," কেন্দ্রীয় বাহিনীকে পরিচালনা করে রাজ্য পুলিশ । যদি রাজ্য পুলিশ তাঁদের কাজ করতে দেয় তবে মানুষ নিজের ভোট নিজে দিতে পারবে ৷" অপরদিকে বিজেপির জেলা সভাপতি সমিত দাস বলেন, "কেন্দ্র সরকার চেষ্টা করছে প্রচুর পরিমাণে কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করাতে সে ক্ষেত্রে ভোট শান্তিপূর্ণ হবে ।"