বাগপত, 27 ফেব্রুয়ারি: তিন হাজার টাকার জন্য নৃশংসভাবে খুন করা হল এক যুবককে। পরে দেহ তিন টুকরো করে বস্তায় ভরে হিন্দন নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। গত 15 ফেব্রুয়ারি থেকে নিখোঁজ ছিল ওই যুবক। পরিবারের লোকজন নিখোঁজের অভিযোগও দায়ের করেছিল। পরে অপহরণের অভিযোগ ওঠে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতেই ওই যুবককে খুঁজছিল পুলিশ। এরপরই তার দেহাংশ উদ্ধের হয় ৷ ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
ছাপরাউলির মহল্লা কোরেশিয়ানের বাসিন্দা আসগরের ছেলে ফয়জল (21) কাপড় বিক্রি করত । 15 ফেব্রুয়ারি নিখোঁজ হয়ে যায় সে ৷ পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পায়নি। এরপর ছাপরাউলি থানায় নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের করে পরিবার। পরে ছেলেকে অপহরণের অভিযোগও ওঠে। পরিবারের অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ ওই যুবকের খোঁজ করলেও তার কোনও হদিশ মেলেনি বলে দাবি ৷
বুধবার সন্ধ্যায় হারশিয়া গ্রামের হিন্দন নদীতে এক যুবকের দেহাংশ ভাসতে দেখা যায়। দেহাংশ বিভিন্ন বস্তায় ভর্তি করা ছিল বলেও পুলিশ জানিয়েছে ৷ ধড়, ঘাড়-সহ তিন অংশে ভাগ করা হয়েছিল। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। দেহ ফয়জলের বলে শনাক্ত হয়। পুলিশ দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। ছাপরাউলি পুলিশ আধিকারিক দেবেশ শর্মা জানান, পরিবার একটি নিখোঁজ অভিযোগ দায়ের করার পর পুলিশ খোঁজ করছিল। পরে ওই যুবকের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগের ভিত্তিতে, অভিযুক্তদের বিষয়ে তথ্যসংগ্রহ করছে পুলিশ ৷ দ্রুত তাদের গ্রেফতার করা হবে বলেও জানান তিনি।
এলাকার এক বাসিন্দা তেহসিম মনসুরি বলেন, "ফয়জল আমাদের এলাকার ছেলে। 15 ফেব্রুয়ারি তাকে অপহরণ করা হয়। গ্রামের কিছু প্রভাবশালী লোক এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ৷ ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ইস্যু ছিল তিন হাজার টাকা। তার জেরেই খুন ৷ প্রথমে মারধর করা হয়। এরপর ছুরি দিয়ে পেট চিরে দেহ কাটা হয়।"