পুরুলিয়া, 29 নভেম্বর: লক্ষাধিক টাকায় সোনার মূর্তি কিনতে গিয়ে বাড়ি ফিরে দেখলেন সেটি আদতে পিতলের । প্রতারণার ফাঁদে পড়েছেন বুঝতে পেরে পুলিশের দ্বারস্থ প্রাতারিত ব্যক্তি রামদুলাল পরামাণিক । ঘটনাটি ঘটেছে পুরুলিয়ার কেন্দা থানা এলাকায় । ধৃত 5 অভিযুক্ত ৷
জানা গিয়েছে, কেন্দা থানার জাম বাদ গ্রামের রামদুলাল পরামাণিক পাথর খাদানে কাজ করতেন ৷ সেই সুবাদে হরিপদ মাহাতো নামে জনৈক এক ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা হয়। হরিপদ মাহাতো তাঁকে জানিয়েছিলেন, যে সে পাথর খাদানের মধ্যে একটি সোনার মূর্তি পেয়েছেন ৷ সেই মূর্তিটি মান বাজার এলাকার কৃষ্ণ বাউরির কাছে রয়েছে। সেই মতোই এরপর মন্টু বাউরি, রঞ্জিত মুখোপাধ্যায় ও আরও দু‘জনের সঙ্গে দেখা করতে মানবাজার এলাকার শ্যামপুর ডাউন-এ নিয়ে যান রামদুলাল বাবুকে । সেখানে কৃষ্ণ বাউরি মূর্তির একটি টুকরো দোকানে নিয়ে গিয়ে পরীক্ষা করে দেখেন যে সেটি সোনার । তারপর রামদুলাল বাবু তাঁদের 10 হাজার টাকা দেন। পরের দিন রামদুলাল বাবুকে আরও 1 লক্ষ টাকা দিতে বলে তাঁরা মূর্তির দাম স্বরূপ ৷ তাঁদের কথা মত রামদুলাল বাবুও 1 লক্ষ টাকা জোগাড় করে তাঁদের হাতে তুলে দেন। তখন অভিযুক্তরা একটি ঘি রঙের চাদরে ঢাকা ও গোলাপী রঙের প্লাস্টিকে মোড়া কৃষ্ণ মূর্তিটি রামদুলাল বাবুকে দেয় ৷ মূর্তিটি বাড়ি গিয়ে মাটিতে পুঁতে রাখতে বলেন রামদুলালবাবুকে ৷ পুলিশ জানলে অসুবিধা হবে ৷
আরও পড়ুন: 15 কোটি ঋণের টোপ দিয়ে দেড় কোটির প্রতারণা ! দিল্লি থেকে গ্রেফতার চক্রের 'পান্ডা'
এরপর রামদুলালবাবু মূর্তি বাড়ি নিয়ে গিয়ে দেখে সেটি সোনার নয় পিতলের। এরপর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলে পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে 5 অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে (police arrested 5 accused on Fraud case In Purulia)। তদন্তের স্বার্থে তাদের নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ।