আসানসোল, 27 ফেব্রুয়ারি: পানাগড়ে পথ দুর্ঘটনায় যুবতীর মৃত্যুর পরই আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের ট্রাফিক বিভাগ এবং পুলিশ জাতীয় সড়কের নিরাপত্তা নিয়ে আরও সক্রিয় হল। ইতিমধ্যেই আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় 19 নম্বর ও 60 নম্বর জাতীয় সড়কে যে সমস্ত মোবাইল ভ্যানগুলি নজরদারি রাখে, সেগুলিকে যথার্থভাবে চালানো, নজরদারি রাখা এবং জাতীয় সড়কের ওপরে পুলিশের যে সমস্ত সিসিটিভি রয়েছে তা প্রত্যহ সক্রিয় আছে কি না, সে বিষয়ে খোঁজখবর শুরু করেছে আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট।
পানাগড়ে দুর্ঘটনায় যুবতীর মৃত্যুর মৃত্যু নিয়ে পুরো রাজ্য তোলপাড়। কী করে এই ঘটনা ঘটল, তা এখনও পর্যন্ত পুরোপুরি পরিষ্কার হয়নি। পুলিশ অভিযুক্তদের আড়াল করছে এমন অভিযোগও বিরোধীরা করছেন। কিন্তু, তার মাঝে প্রশ্ন উঠছে, জাতীয় সড়কে পুলিশের নজরদারি কই? পুলিশের সঠিক নজরদারি থাকলে কি এমন ঘটনা ঘটত? জাতীয় সড়কে লাগানো সব সিসিটিভিগুলি কি কাজ করে? এই ধরনের নানা প্রশ্ন উঠছে। পুলিশ অবশ্য জানাচ্ছে নিয়মিত নজরদারি চালানো হয়। সিসিটিভিও যথেষ্ট সক্রিয়। তা স্বত্বেও আরও নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে।
প্রদেশ কংগ্রেসের সদস্য তথা আসানসোলের কংগ্রেস নেতা প্রসেনজিৎ পুইতন্ডী চূড়ান্ত কটাক্ষ করেছেন পুলিশি ব্যবস্থাকে। ইটিভি ভারতকে প্রসেনজিৎ জানিয়েছেন, যে কোনও ঘটনা ঘটার পরে এগুলি পুলিশের শুধুমাত্র আইওয়াশ। এই যে টহলদারি বাড়ানো হল, নজরদারি চলছে এই সব কথাবার্তা মানে আই ওয়াশ। আর সিসিটিভি যদি ঠিক থাকত... আমরা প্রায়শই শুনতে পাই, বিভিন্ন ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে দুষ্কৃতীরা ঝাড়খণ্ডের দিকে পালিয়েছে। অথচ তাদের হদিশ পাওয়া যায় না।