মালদা, 16 মে: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের নির্দেশের পরেই মঙ্গলবার বাংলা-বিহার-ঝাড়খণ্ডে গঙ্গা ভাঙনের পরিস্থিতি সরেজমিনে তিন রাজ্যের সেচকর্তারা ৷ এই পরিদর্শনে সেচকর্তাদের সঙ্গে ছিলেন রতুয়ার বিধায়ক সমর মুখোপাধ্যায়ও ৷ গঙ্গা ভাঙনে প্রতি বছর একটু একটু করে কমে যাচ্ছে মালদার আয়তন ৷ রতুয়া থেকে শুরু করে বৈষ্ণবনগর পর্যন্ত একই ছবি ৷ বিশেষ করে রতুয়া 1 নম্বর ব্লকের মহানন্দটোলা আর বিলাইমারি গ্রাম পঞ্চায়েতের পরিস্থিতি অত্যন্ত শোচনীয় ৷
এই দুই পঞ্চায়েতের দু’দিক দিয়ে পাড় কাটছে গঙ্গা ও ফুলহরা নদী ৷ এই মুহূর্তে দুই নদীর মধ্যের দূরত্ব এক কিলোমিটারেরও কম বলে দাবি এলাকাবাসীর ৷ সম্প্রতি মালদায় জেলা প্রশাসনিক বৈঠকে এসে গঙ্গা ভাঙন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৷ সেই বৈঠকেই তিনি রাজ্যের মুখ্যসচিবকে নির্দেশ দিয়েছিলেন, এ বিষয়ে বিহার ও ঝাড়খণ্ড প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলতে ৷ সেইমতো মঙ্গলবার বাংলা-বিহার-ঝাড়খণ্ডে গঙ্গা ভাঙনের পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন তিন রাজ্যের সেচকর্তারা ৷
রতুয়ার মহানন্দটোলা থেকে শুরু হয়ে লঞ্চে করে ভাঙন পরিদর্শন করেন তিন রাজ্যের সেচকর্তারা ৷ মালদা ছাড়াও বিহার ও ঝাড়খণ্ডের ভাঙন পরিস্থিতিও খতিয়ে দেখেন তাঁরা ৷ ভাঙন রুখতে কীভাবে কাজ করা যায়, তা নিয়ে আলোচনাও করেন ৷ প্রত্যেকেই জানিয়েছেন, পরিদর্শন রিপোর্টের সঙ্গে গঙ্গা ভাঙন রোধে কী করা উচিত, তা তাঁরা দ্রুত নিজেদের রাজ্য সরকারকে জানিয়ে দেবেন ৷ একই সঙ্গে ভাঙন রোধের মডেলও তাঁরা নিজেদের সরকারের কাছে তুলে ধরবেন ৷