নয়াদিল্লি, 17 ফেব্রুয়ারি: কাউকে জামিন দেওয়া হবে না, সাফ জানিয়ে দিলেন বিচারক ৷ সব তথ্যপ্রমাণ খতিয়ে দেখে পাঁচজনের জামিনের আবেদন খারিজ করল আদালত ৷ বৃহস্পতিবার বিকেলে দ্য রাউস অ্যাভিনিউ কোর্ট (The Rouse Avenue court) স্পষ্ট জানায়, দিল্লি আবগারি দুর্নীতি মামলায় ইডি 5 জনকে গ্রেফতার করেছে ৷ স্পেশ্যাল কোর্টের বিচারক এমকে নাগপাল 123 পৃষ্ঠার একটি নির্দেশে অন্যতম পাঁচ মূল অভিযুক্ত সমীর মহেন্দ্রু, পি শরৎচন্দ্র রেড্ডি, বিজয় নায়ার, অভিষেক বইনাপল্লি, বিনয় বাবুর জামিনের আবেদন নাকচ করে দেন ৷ তাদের বিরুদ্ধে আর্থিক তছরূপের মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে ৷
অভিযুক্তদের আচরণের যে রেকর্ড আছে, সেই অনুযায়ী তাদের জামিন দিলে অভিযুক্তরা প্রমাণ নষ্ট করে দিতে পারে ৷ কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি অভিযোগ তুলেছে, ফোন নষ্ট করে একাধিক প্রমাণ মুছে ফেলা এবং বদলানোর চেষ্টা চালিয়েছে তারা ৷ বিশেষত পি শরৎচন্দ্র রেড্ডি ডিজিটাল ডাটা নষ্ট করেছে ৷ সাউথ লিকার লবি বিজয় নায়ার নামের এক ব্যক্তিকে 100 কোটি টাকা ঘুষ দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে ৷ এদিকে বিজয় নায়ার আপ দলের মিডিয়া ইন-চার্জ ৷ তিনি আপের ও দিল্লি সরকারের পক্ষ থেকে আবগারি ব্যবসায়ী ও সরকারের মধ্যে হওয়া বৈঠকে প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৷ শুধু তাই নয়, নায়ার আপ মন্ত্রিসভার এক বরিষ্ঠ সদস্যের জন্য বরাদ্দ করা সরকারি বাড়িতে থাকছেন ৷ তাই দিল্লি আবগারি দুর্নীতিতে আপ নেতা নায়ারের ভূমিকাটিও গুরুত্বপূর্ণ ৷ মনে করা হচ্ছে, দিল্লি সরকারের আবগারি দফতরের ক্ষমতাবলেই তিনি ওই বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন ৷ তিনি ছাড়া দিল্লি সরকার এবং আপের তরফে আর কেউ উপস্থিত ছিলেন না ৷ বিচারপতি নির্দেশে জানিয়েছেন, অভিযুক্ত অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র করেছেন ৷ তিনি বিশাল টাকা ঘুষের বদলে আবগারি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত অনেককে অযাচিত সুবিধে পাইয়ে দিয়েছেন ৷